Green Hydrogen: সমগ্র বিশ্বে হাইড্রোজেন রপ্তানি করবে ভারত, আগামী মাসে গাড়িতে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের পরীক্ষা শুরু

দূষণ কমাতে বিগত ক’বছর যাবৎ বিকল্প জ্বালানীর প্রসঙ্গে সোচ্চার কেন্দ্র। এই বিকল্প জ্বালানির মধ্যে রয়েছে ইথানল, মিথানল, হাইড্রোজেন, সিএনজি, এলএনজি। এছাড়া বিদ্যুৎ চালিত গাড়ি তো আছেই। কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গডকড়ী (Nitin Gadkari) এই বিকল্প জ্বালানির প্রসঙ্গে ইতিমধ্যেই গাড়ি শিল্পকে বার্তা দিয়েছেন তিনি। সংস্থাগুলি যাতে এই জাতীয় গাড়ি আরো বেশি সংখ্যায় বাজারে নিয়ে আসে, সেই পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গডকড়ী বলেছেন আগামীতে ভারত সমগ্র বিশ্বে ভবিষ্যতের জ্বালানি সবুজ হাইড্রোজেন (Green Hydrogen) সরবরাহ করবে।

এই প্রসঙ্গে সড়ক মন্ত্রী জানিয়েছেন, ১৫ মার্চ ইন্ডিয়ান অয়েলের ফরিদাবাদ ল্যাব থেকে টয়োটা (Toyota)-র গাড়িতে হাইড্রোজেন জ্বালানির পরীক্ষামূলক প্রকল্প শুরু হবে বলে আশা করা যায়। বিশ্ব উষ্ণায়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী দূষণের সাথে মোকাবিলা করতে পরিবেশবান্ধব জ্বালানি যেমন সবুজ হাইড্রোজেনের ব্যবহার সমগ্র বিশ্বেই বাড়াতে হবে। তাঁর কথায়, “আমরা ক্রমশ সবুজ হাইড্রোজেন ব্যবহারের দিকে এগোচ্ছি, ব্যবহারের অযোগ্য জল থেকে আমরা এটি তৈরি করার পরিকল্পনা করেছি। আমরা সৌর এবং বায়ু শক্তির ব্যবহার করতে পারি।”

অন্যদিকে পেট্রো পণ্যের আমদানিতে রাশ টানতে তৎপর মোদি সরকার। সেই প্রসঙ্গে গডকড়ীর বক্তব্য, “বর্তমানে ক্রুড অয়েল, গ্যাস এবং পেট্রোলিয়াম আমদানি করতে ৮ লক্ষ কোটি টাকা খরচ হচ্ছে কেন্দ্রের। কিন্তু আমরা পেট্রোপণ্যের পরিবর্তে বিকল্প জ্বালানী যেমন ইথানল, মিথানল, বায়ো-ডিজেল, সিএনজি, ইলেকট্রিক, এলএনজি এবং গ্রীন হাইড্রোজেনের ব্যবহার বাড়াতে চাইছি।” তাঁর বিশ্বাস মুম্বাই, পুণে এবং দিল্লির মতো শহরে বৈদ্যুতিক গাড়ির সংখ্যা আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এ-ও বলেন, আগামী দু’বছরের মধ্যে বৈদ্যুতিক দুই, তিন এবং চার চাকার গাড়ি এমনকি বাসের দাম পেট্রোল-ডিজেলের যানবাহনের সমান হয়ে যাবে। যা তিনি পূর্বেও বলেছিলেন। এই প্রসঙ্গে তাঁর সাফাই, “লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির পাশাপাশি জিঙ্ক-আয়ন, সোডিয়াম-আয়ন এবং অ্যালুমিনিয়াম-আয়ন ব্যাটারির উৎপাদনের কাজ চলছে। যা এই জাতীয় শিল্পকে সহায়তা করবে।”

অন্যদিকে Nitin Gadkari-র বিশ্বাস, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ভারত বিশ্বের মধ্যে ১ নম্বর গাড়ি প্রস্তুতকারী কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে। এই শিল্পক্ষেত্রে লেনদেনের পরিমাণ ৭.৫ লক্ষ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫ লক্ষ কোটি টাকায় নিয়ে যাওয়া হবে। তাঁর বক্তব্য, “এই ক্ষেত্রটি আমাদের অগ্রগতিতে সহায়তা করবে, এর থেকে কেন্দ্র এবং রাজ্যগুলি সর্বাধিক রাজস্ব (GST) পায়, এবং এর কর্মসংস্থানের ক্ষমতাও সর্বাধিক।”

স্মার্টফোন, গাড়ি-বাইক সহ প্রযুক্তি দুনিয়ার সব গুরুত্বপূর্ণ খবর সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Google News ও Twitter পেজ, সঙ্গে অ্যাপ ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।